শিরোনাম

পূর্ণিমা-খায়রুনের বিয়ে নিয়ে যত কথা


বগুড়া ডেস্ক : ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা নতুন ঘর বেঁধেছেন। গত ২৭ মে ভালোবেসে বিয়ে করেছেন আশফাকুর রহমান রবিন নামের এক যুবককে। তবে খবরটি প্রকাশ্যে এনেছেন গেল মাসের শেষ ভাগে।

এদিকে কয়েকদিন ধরে আলোচনা চলছে নাটোরের একটি বিয়ে নিয়ে। ফেসবুকে প্রেম করে বিয়ে করেছেন কলেজছাত্র মামুন এবং শিক্ষিকা খায়রুন নাহার। দুজনে এখন সংসারও করছেন সুখে। পূর্ণিমা-রবিন এবং মামুন-খায়রুন নাহারের বিয়ের মধ্যে একটা জায়গায় মিল আছে। দুটো বিয়েতেই স্বামীর বয়স কম। পূর্ণিমার স্বামী রবিন একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে মার্কেটিং বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। তিনি পূর্ণিমার চেয়ে বয়সে ছোট। এটা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানান আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছিল। এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন পূর্ণিমা।

তিনি জানান, বিয়ের আগে থেকেই এমনটা ধারণা করেছিলেন। এজন্য প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন সমালোচনা সহ্য করার। গণমাধ্যমকে পূর্ণিমা বলেন, ‘এটার জন্য আগে থেকে প্রস্তুত ছিলাম আমি। জানতাম, বিয়ের পর স্বামীর বয়স নিয়ে কথা উঠবে। যারা এসব লেখেন, না লিখতে পারলে তারা ভালো থাকবেন না। না লিখতে পারলে তাদের মন খিটখিট করবে। আমাকে দুই–তিনটা গালি দিতে না পারলে উল্টা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঝগড়াঝাটি করবেন তারা। আমাকে নিয়ে এভাবে গালাগালি করে যদি তাদের শান্তি লাগে, আমি খুশি।’

নিন্দুকদের শান্তি-সুখ কামনা করে পূর্ণিমা আরও বলেছেন, ‘আমার ছবি পোস্ট করে দু-চারটা গালি দিক, তাতে আমার কোনো সমস্যা নেই। তবু তারা শান্তিতে থাক, সুখে থাক, সুস্থ থাক। তাদের জন্য আমাদের দুজনের পক্ষ থেকে শুভকামনা।’

অন্যদিকে কলেজ শিক্ষিকা খায়রুন নাহার বলেন, ‘সমাজে কে কি বলে, তা বড় বিষয় না। আমরা যদি দুজন ঠিক থাকি, তাহলে সব ঠিক।’

মো. মামুন হোসেনের বয়স ২২ বছর। এখনো কলেজছাত্র তিনি। বছরখানেক আগে ফেসবুকে পরিচয় হয় অন্য এক কলেজের শিক্ষিকার সঙ্গে। এরপর তাদের সম্পর্ক গড়ায় প্রেমে। সেই প্রেম পূর্ণতা পায় বিয়েতে। ছয় মাস আগে গোপনে বিয়ে করেন তারা। সম্প্রতি তাদের বিয়ের বিষয়টি এলাকায় আলোচনায় আসে। ভাইরাল হয় ফেসবুকে। বিয়ের বিষয়টি স্বীকারও করেছেন মামুন ও কলেজ শিক্ষিকা খায়রুন নাহার।

খাইরুন নাহার গুরুদাসপুরের খুবজিপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক এবং মামুন নাটোর এন এস সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর কাজী অফিসে গিয়ে দুজন গোপনে বিয়ে করেন।

এই বিয়ে মামুনের পরিবার মেনে নিলেও এখনো মেনে নেয়নি খায়রুনের পরিবার। ছাত্র-শিক্ষিকার এই বিয়ে নিয়ে সমাজের বিভিন্ন লোকের নানা কথার সম্মুখীন হতে হচ্ছে তাদের বলে জানিয়েছেন এই দম্পতি। তবে এসব কথায় গুরুত্ব না দিয়ে সারা জীবন এক সঙ্গে থাকার জন্য দোয়া চেয়েছেন মামুন। তিনি বলেন, ‘মন্তব্য কখনও গন্তব্য ঠেকাতে পারে না। খাইরুনকে বিয়ে করে আমি খুশি এবং সুখি। সবার দোয়ায় সারাজীবন এভাবেই থাকতে চাই।’


Check Also

১০৭ বিয়ের পরও থেমে নেই কবিরাজ আবুবকর

বগুড়া ডেস্ক : চিকিৎসকের কাছে নারীরা যেতেন চিকিৎসা নেয়ার জন্য। কিন্তু প্রেসক্রিপশন দেয়ার পাশাপাশি তাদের …

Leave a Reply

Your email address will not be published.